‘ক’-এর ঘূর্ণিতে ধরাশায়ী পাকিস্তান

খেলাধূলা

কমেন্ট্রি বক্স থেকে বেরিয়ে পেটানো চেহারার দু’জন লোক একটু হতাশ ভাবে মাঠের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। এক জন লাল টকটকে টি শার্টে, অন্য জনের টি শার্টটা সবুজ শ্যাওলা গোছের।.একটু আগেই তাঁদের দেখতে হয়েছে, দলের ব্যাটিং বিপর্যয়। এ বার দেখতে হল, মহম্মদ আমির বা হাসান আলিকে কী সহজেই বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন দুই ভারতীয় ওপেনার। অসহায় চোখে এক বার মাঠের দিকে তাকালেন তাঁরা।

……

কী মনে হচ্ছিল শোয়েব আখতার ও ওয়াকার ইউনিসের? দলের এই অসহায় আত্মসমর্পণ দেখে কি আর একবার বোলিং মার্কে দাঁড়াতে ইচ্ছা করছিল? আর যিনি আজ মাঠে এলেন না, তাঁর কী মনে হত? সকালে টিম হোটেলে নিয়ে যাওয়া ট্যাক্সি ড্রাইভারই হোক বা মাঠের বাইরে দাঁড়ানো অত্যুৎসাহী দর্শক.— সবারই একটা প্রশ্ন ছিল, ইমরান খান .কি আসছেন? ইমরান না এসে ভালই করেছেন। এ রকম একতরফা ম্যাচ নতুন পাক প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ কষ্টই দিয়ে যেত।

সেই কষ্টটা কি রোহিত শর্মা ম্যাচের আগেই পেয়েছিলেন? দুবাইয়ে দল নিয়ে আসার পর .থেকে তাঁকে শুনতে হয়েছে, বিরাট কোহালির না-থাকায় ভারতের জেতার সম্ভাবনা. অনেক কমে গিয়েছে। শুনতে হয়েছে, পাক. পেসাররা হুঙ্কার দিচ্ছেন, আমি পাঁচটা উইকেট চাই, আমি দশটা উইকেট চাই। .যে দুই পাক পেসার ম্যাচের আগে এ সব কথা বলেছিলেন,. সেই উসমান খান-হাসান আলিকে একটু বেশিই মারলেন রোহিত (৩৯ বলে ৫২, ছ’টা চার, তিনটে ছয়)।. যেন বলতে চাইলেন, দশটা-পাঁচটা নয়, আগে এই একটা উইকেট নিয়ে দেখাও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *