টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়ে ১৬২ রানে অলআউট পাকিস্তান

খেলাধূলা

লড়াইয়ের ঝাঁজ গতকাল বেশ পাওয়া যাচ্ছিল। হংকংয়ের ম্যাচ তখনো শেষ হয়নি। তবে অঘটন যে আর হচ্ছে না, সেটা বোঝা যাচ্ছিল। ধারাভাষ্যকরেরা তাই পরদিন (আজ) পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ম্যাচ নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালের পর দুই দলের প্রথম দেখা। খর্বশক্তির ভারত ও দুর্দান্ত ফর্মের পাকিস্তানের মধ্যে কে এগিয়ে থাকবে, সে আলোচনা চলছিল। তাতে এগিয়ে ছিল ভারত, দর্শক সমর্থনে। আজ ম্যাচ শুরু হতে দেখা গেল, মাঠেও খর্বশক্তির ভারতই এগিয়ে। টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়ে ১৬২ রানে অলআউট পাকিস্তান। ইনিংসের ৪১ বল ব্যবহার করা হয়নি তাদের।

ষষ্ঠ ওভারে প্রথম চারের দেখা মিলল। জসপ্রীত বুমরার বলে শোয়েব মালিকের সে চারের পর ম্যাচে ফিরেছিল পাকিস্তান। বাবর আজমের সঙ্গে মালিকের জুটিটাও দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। ১৭ ওভারে ৮২ রানের জুটিটা যখন থিতু হলো কেবল, তখনই পথ হারাল পাকিস্তান। কুলদীপ যাদবের একটি গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড হলেন বাবর (৪৭)। একটু পরেই ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট শোয়েব (৪৩)। এরই ফাঁকে মনীশ পান্ডের দারুণ উপস্থিত বুদ্ধিতে সীমানায় ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ।

পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটির ওপর নজর ছিল। ইমাম-উল-হক ও ফখর জামানের এই জুটিটা গত কিছুদিনে অবিশ্বাস্য খেলছে। আর ভারতের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ফখরের সে সেঞ্চুরি তো এখনো মনে রেখেছেন অনেকে। কিন্তু ওসব আলোচনা মিইয়ে গেল প্রথম পাঁচ ওভারেই। ভুবনেশ্বর কুমারের পরপর দুই ওভারে হাস্যকরভাবে আউট দুজন। মাত্র তিন রানে দুই উইকেট হারানো পাকিস্তান তখন মহা বিপাকে। প্রথম ৫ ওভারে মাত্র ৪ রান তুলেছিল পাকিস্তান।

১০০ রানে ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তান শেষ ৫ উইকেটে আর ৬২ রান তুলতে পেরেছে। সেটাও ফাহিম আশরাফ (২১) ও মোহাম্মদ আমিরের (১৮*) সুবাদে। অষ্টম উইকেট জুটিতে এ দুজন ৩৭ রান যোগ না করলে আজ আর দেড় শ পার করা হতো না পাকিস্তানের। পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের আত্মাহুতির প্রতিযোগিতা থেকে ফায়দা লুটেছেন কেদার যাদব। এই স্লিঙ্গিং স্পিনার ২৩ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন। তবে পাকিস্তানের মূল সর্বনাশ করেছেন ভুবনেশ্বর কুমার। মাত্র ১৫ রানে ৩ উইকেট তাঁর। জসপ্রিত বুমরা ২ উইকেট বুঝে নিয়েছেন ২২ রানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *